• শুক্রবার ০২ জুন ২০২৩ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৯ ১৪৩০

  • || ১২ জ্বিলকদ ১৪৪৪

দৈনিক খাগড়াছড়ি

গমের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষকরা

দৈনিক খাগড়াছড়ি

প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০২৩  

মেহেরপুর জেলায় এবার গমের বাম্পার ফলন পাচ্ছে চাষী। এবছর গমের ব্লাস্ট রোগ না থাকায় চাষিরা গম চাষ করে ভাল ফলন পাচ্ছে। গমের ফলনের পাশাপাশি বর্তমান বাজার দরেও খুশি চাষী। ফলে চাষিরা আবারও গম চাষে আগ্রহ ফিরে পাচ্ছে বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ। মেহেরপুর জেলায় গমের ব্লাস্ট রোগের কারণে চাষিরা আগ্রহ হারিয়েছিল গম চাষে। দিন দিন কমে গিয়েছিল গম চাষ। বিগত বছরগুলোতে মেহেরপুর জেলায় গম চাষ হতো ২০-২৫ হাজার হেক্টর পর্যন্ত কিন্তু গত কয়েকবছর তা নেমে আসে মাত্র ২-৩ হাজার হেক্টরে। তবে গত বছর ব্লাস্ট রোগের প্রাদুর্ভাব কমে যাওয়ায় গমের আবাদ হয়েছিল ১১ হাজার ৩৬৫ হেক্টর। এবছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩ হাজার হেক্টরে। ব্লাস্ট প্রতিরোধক বারি ৩৩ ও ডাব্লিউএমআরআই-৩ জাতের গম চাষ করায় এবার ব্লাস্ট রোগ হয়নি। ইতোমধ্যে চাষিরা গম কাটামাড়া শুরু করেছে। এক বিঘা জমিতে এবার গম চাষে খরচ হয়েছে ১০-১২ হাজার টাকা। সেখানে গম বিক্রি করে ২৫-৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘরে তুলছে। চাষীরা জানায় সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন এলাকায় শীলা ও বৃষ্টিপাত হলেও মেহেরপুর জেলায় শুধু হালকা বৃষ্টিপাত হয়েছে। ফলে গমের কোন ক্ষতি হয়নি।

সদর উপজেলার উজলপুর গ্রামের গম চাষী মনিরুল ইসলাম জানান, আবহাওয়া ভাল থাকায় এবার বিঘা প্রতি ১৫-১৮ মন পর্যন্ত গমের ফলন হচ্ছে। বাজারে শুকনা গম ১৮০০-১৯০০ টাকা মন দরে বিক্রি হচ্ছে। এই দাম অব্যাহত থাকলে চাষীদের ভাল লাভ হবে।

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের জেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ সামছুল আলম জানান, চাষীরা এবার কৃষি বিভাগের পরামর্শে ব্লাস্ট প্রতিরোধক গম বীজ বারি- ৩৩ ও ডাব্লিউএমআরআই -৩ জাতের গম চাষ করায় এবার গমের ভাল ফলন পাচ্ছে। গমের ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধ হওয়ায় আগামীতে জেলায় গম চাষ আরো বাড়বে বলে তিনে মনে করেন।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখে পাঠাতে পারেন আমাদের। এছাড়া যেকোনো সংবাদ বা অভিযোগ লিখে পাঠান এই ইমেইলেঃ [email protected]