• বুধবার   ১৯ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ৭ ১৪২৮

  • || ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

দৈনিক খাগড়াছড়ি

ক্যাবল কার-জিপলাইনে দেখা যাবে গারো পাহাড়ের সৌন্দর্য

দৈনিক খাগড়াছড়ি

প্রকাশিত: ১৮ ডিসেম্বর ২০২১  

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি শেরপুর সীমান্তের ঐতিহ্যবাহী গারো পাহাড়। এ গারো পাহাড়ের সৌন্দর্য বাড়িয়েছে গজনী অবকাশ কেন্দ্র। জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নে ৯০ একর জায়গাজুড়ে গড়ে উঠেছে এ কেন্দ্রটি। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে গড়ে তোলা অবকাশ কেন্দ্রটিতে ভ্রমণপিপাসু ও প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে সুপরিচিত। শীতে দেশ-বিদেশের লাখো পর্যটকের পদভারে মুখরিত হয় পর্যটন কেন্দ্রটি।

স্থানীয়রা জানান, বছরজুড়ে পর্যটকদের আনাগোনা থাকলেও পর্যটন সমৃদ্ধ শেরপুরে শীতে ভিড় বাড়ে দর্শনার্থীদের। সবুজের সমারোহ, জিপলাইন ও ক্যাবল কার কেন্দ্রটির আকর্ষণ বাড়িয়েছে। এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড়ে হেঁটে পার হবার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে ঝুলন্ত ব্রিজ। সম্প্রতি এ তিনটি রাইড যুক্ত হবার পর থেকে তরুণদের কাছে পছন্দের শীর্ষে এখন গজনী অবকাশ কেন্দ্র।

সারি সারি বাহারি গাছের পাহাড়ের মাঝ দিয়ে আঁকাবাঁকা সড়ক, ছোট-বড় মাঝারি টিলা আর চোখ জুড়ানো সবুজের বিন্যাস প্রকৃতিপ্রেমীদের নিশ্চিত দোলা দিয়ে যাবে। প্রবেশপথের পাশেই লেকে নৌকা ওপর দিয়ে জিপলাইন। পাহাড়ের বুক জুড়ে তৈরি হয়েছে সুদীর্ঘ ওয়াকওয়ে। পায়ে হেঁটে পাহাড়ের স্পর্শ নিয়ে লেকের পাড় ধরে হেঁটে যাওয়া যাবে এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে।

এখানে স্থাপন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর। আগত দর্শনার্থীদের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানাতে জাদুঘরে রাখা হয়েছে বঙ্গবন্ধু-মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত ইতিহাস ও স্থিরচিত্র। পাশেই রয়েছে আদিবাসী জাদুঘর। বিলুপ্তপ্রায় আদিবাসীদের জীবনমানের নানা ইতিহাস ও স্থিরচিত্র নজর কাড়বে পর্যটকদের।

চুকুলুপি চিলড্রেনস পার্কের পাশাপাশি এবার যুক্ত হচ্ছে শিশু কর্নার। সঙ্গে আছে শেরপুর জেলা ব্র্যান্ডিং কর্নার। এখানে জেলার বিভিন্ন ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্বলিত ছবি, পুস্তক ও ভিডিও চিত্র থাকবে।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখে পাঠাতে পারেন আমাদের। এছাড়া যেকোনো সংবাদ বা অভিযোগ লিখে পাঠান এই ইমেইলেঃ [email protected]