• মঙ্গলবার   ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১২ ১৪২৯

  • || ২৯ সফর ১৪৪৪

দৈনিক খাগড়াছড়ি

ইতিহাসে হিরাচর, শ্রাবটতলী, খাগড়াছড়ি ও পাবলাখালীর গনহত্যা 

দৈনিক খাগড়াছড়ি

প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০২২  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

 

পার্বত্য চট্টগ্রামের ইহিতাসে ঘৃন্যতম ও জঘন্য নির্মমতার চিহ্ন হিরাচর, শ্রাবটতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালী গনহত্যা দিবস। 

১৯৮৮ সালের ৮ আগষ্ট, ৯ আগষ্ট, ১০ আগষ্ট ঘটে হিরাচর, শ্রাবটতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালী গণহত্যা। 

এই গণহত্যায় ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা হিরাচর, শ্রাবটতলী, খাগড়াছড়ি, পাবলাখালীতে বাঙ্গালীদের গ্রামগুলোতে অগ্নি সংযোগ সহ লুটতরাজ, হত্যা, বাঙ্গালী নারীদের গণধর্ষণসহ কঠিন নারকীয়তা সৃষ্টি করেছিলো।

এ গনহত্যায় ৫০০ জনের অধিক নিরস্ত্র নিরীহ বাঙ্গালীকে নির্মম ভাবে হত্যা, বাঙ্গালী নারীদের গণধর্ষণ ও পরে হত্যা করা হয়। আহত করা হয়েছে আরও ৮০০ জনের অধিক, অপহরণ ও গুম করা হয়েছে আরো শত শত বাঙ্গালীকে। নিহতদের সিংহ ভাগ বৃদ্ধ, নারী ও শিশু। গনহত্যার পর ঐ অঞ্চল আজ পাহাড়ি লোকালয়।

শান্তি বাহিনী‘র গেরিলা যোদ্ধারা সাধারণ বাঙ্গালীদের হাত-পা বেঁধে গুলী করে, লাঠি দিয়ে পিটিয়ে, দা দিয়ে নির্মমভাবে কুপিয়ে, জবাই করে, আগুনে পুড়িয়ে, শিশুদেরকে পায়ে ধরে গাছের সাথে বাড়ি দিয়ে, বেনেট ও অন্যান্য দেশি অস্ত্র দিয়ে খোঁচিয়ে খোঁচিয়ে হত্যা করেছিল।

প্রতিটি লাশকেই বিকৃত করে সে দিন চরম অমানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল শান্তি বাহিনীর সন্ত্রাসীরা। ঘটনাটি যারা স্ব-চুখে দেখাছে বা বেচে যাওয়া কিছু কিছু সাক্ষী আজো আছে, কিন্তু ঘটনার কথা মনে পড়লে আজও তারা শিউরে উঠে।

এই হত্যা কান্ডের মধ্যে দিয়ে নরকীয়তা সৃষ্টি করেছিলো ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলারা ও উপজাতি সন্ত্রাসী হায়নারা।

অপ্রিয় হলেও সত্য, এখন পর্যন্ত ওই হত্যাকাণ্ডের কোন একটিরও বিচার পাইনি ভুক্তভুগি এসব অসহায় বাঙ্গালী পরিবার।
 

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখে পাঠাতে পারেন আমাদের। এছাড়া যেকোনো সংবাদ বা অভিযোগ লিখে পাঠান এই ইমেইলেঃ [email protected]