• বুধবার   ১৪ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ১ ১৪২৮

  • || ০১ রমজান ১৪৪২

দৈনিক খাগড়াছড়ি

করোনায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে খাগড়াছড়িতে তৎপর প্রশাসন

দৈনিক খাগড়াছড়ি

প্রকাশিত: ৩ এপ্রিল ২০২১  

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় খাগড়াছড়িতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে মাঠে নেমেছে প্রশাসনের একাধিক সংস্থা। সচেতন মহল ও স্থানীয়রা ধারণা করছেন, প্রশাসনের এসব পদক্ষেপ ঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে পাহাড়ি এই অঞ্চলে অনেকটুকু কমে আসবে করোনা। 
সেনাবাহিনী, জেলা প্রশাসন, ডাক্তার, সরকারদলীয় নেতা-কর্মীরা নিরলসভাবে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন সেখানকার লোকজন। ইতিমধ্যে পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে জেলার সব ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান এবং জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আগামী ১৪ দিনের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
গত ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত ফেসবুক পেজে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর আগে করোনা সংক্রমণ রোধে প্রশাসন থেকে ১৪টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল।
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, খাগড়াছড়ি পর্যটন এলাকা হওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া সাজেক খাগড়াছড়ি হয়ে যেতে হয়। তাই সংক্রমণ রোধে পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জনস্বার্থে স্বার্থে আপাতত ভ্রমণ থেকে বিরত থাকায় উত্তম। তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।
খাগড়াছড়ি হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া বলেন, হোটেল মালিকরা খুবই দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় তারা ব্যবসায়িকভাবে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ। কেবল খাগড়াছড়ির হোটেল, মোটেল, রেস্তোরাঁ এবং যানবাহন মিলিয়ে ৫০কোটি টাকার ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন। খুব সহসাই পর্যটন স্পটগুলো খুলে দেওয়া না হলে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন না বলে আশংকা তার।
খাগড়াছড়ি জিপ মালিক সমিতির সম্পাদক মো: আব্দুল আজিম বলেন, এখানে ৫০০ এর মতো গাড়িতে অন্তত এক হাজার শ্রমিক রয়েছেন, যারা এখন কর্মহীন। তবে প্রশাসনের পদক্ষেপে আমরা খুশি। 
এদিকে করোনা সংকট মোকাবলিায় খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়নের আওতাধীন লংগদু জোনের আওতাধীন র্দুগম পাহাড়ি এলাকায় র্কমহীন, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাড়িয়েছে বাংলাদশে সেনাবাহিনীর সদস্যরা।  তারা নানা র্দুগম পথ পাড়ি দিয়ে  হতদরদ্রি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছে। 
এই সময় মাইনীমুখ, করল্যাছড়ি ও ইয়ারাংছড়রি হতদরদ্রি মানুষের মাঝেও ত্রাণ বিতরণ করা হয়। চাল, ডাল, আটা, তেল, লবন, পিয়াজ, আলু, সুজি, বিস্কুটও সাবানসহ  নিত্য প্রয়োজনীয়  সামগ্রী পেয়ে খুশি হন মানুষগুলো। করোনা সংক্রমণ হারের বিবেচেনায় খাগড়াছড়ি ও রামগড়  পৌরসভা এবং মানকিছড়ি উপজলোকে আলাদা জোন চিহিৃত করা হয়েছে। করোনা প্রতিরোধে সবাই কাজ করছেন একসঙ্গে। 


 

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখে পাঠাতে পারেন আমাদের। এছাড়া যেকোনো সংবাদ বা অভিযোগ লিখে পাঠান এই ইমেইলেঃ [email protected]